Thursday, May 30, 2019

নীলাঞ্জনা..

নীলাঞ্জনা!
নীল রঙ ছাড়া তোমার সাথে অন্যকোন রঙ একদমই যায়না। সেটা কী তুমি জানো? ওহ! তাতো তোমাকে বলাই হয়নি।

তোমাকে এলো চুলেই বেশ মানায়। আর মানায় তোমার ওই দুষ্ট-মিষ্টি হাসিতে। তোমার ভাবিস্ট টাইপের লুক! দারুণ লাগে আমার। সিঁথিতে লাল রঙ দেখলে ভাবী এইতো দেবী আসছে..

খালি পায়ে একদমই মানায় না তোমাকে। মানাবার তো কথাও না।নূপুরধ্বনি আর আলতা রাঙা পায়ে দেখা হয়েছিলো গতজন্মে। তা কী মনে আছে? ওহ! তোমাকে তো স্মরণ করিয়েই দেয়নি।

তোমার কাজলরাঙা ওই দুটি চোখের মায়া দিয়ে কিনে নিতে পারো আমাকে। অথবা কিনে নিতো পারো কাঁচের চুড়ি'র ঝনঝন শব্দে।

তোমার গালে টোল পড়ে কীনা দেখতে তো মনে নেই। তোমাকে দেখার অপূর্ণতা রয়ে গেলো। এ অপূর্ণতা পরজন্মেও থাকুক। তোমার নেশা কাটতে দিবোনা..একদমই দিবোনা।

আচ্ছা! তোমাকে যে নীলাঞ্জনা বলে ডাকি তা কী তুমি জানো? ডাকিনা তো আসলে। ডাকার সাহস এখনো হয়নি। ভাবো তো কতো বোকা আমি!


Saturday, May 25, 2019

দেবী..


দেবী, গোধূলী মাখা শেষ বিকেলের আলো যখন নেমে আসবে তোমার ওই মায়াবী চেহারায়, তখন তোমার কপালে আমার পবিত্র চুমোটা পূর্ণতা দিবে ভালোবাসাকে। 


দেবী, ভালোবাসার বিনিময়ে তোমার মাঝে খুঁজে নিবো নতুন ঠিকানা। যে ঠিকানা চিরস্থায়ী ও অমর। আমার ভালোবাসা দেখে চাঁদটাও লজ্জায় তোমার শাড়ীর আঁচলে মুখ লুকোবে। তাঁরারাও জয়ধ্বনি দিবে পবিত্র ভালোবাসার। 


দেবী, তোমার ঠোঁটের মাঝে ঠোঁট লুকিয়ে কেটে যাবে সহস্র নিশি। শুভ্রতায় কেটে যাবে প্রতিটা সকাল। প্রতিটা দিনক্ষণ উদ্ভাসিত হবে আমার ভালোবাসার কিরণে। ভালোবেসে যাবো, ভালোবাসি বলে..


দেবী, তোমার হৃদয়ে ভালোবাসার পাহাড় গড়বো। তুমি তার বিনিময়ে আমার মস্তিষ্কে সারাক্ষণ পায়চারী করে যাবে শুধু। ভালোবাসার পূজারীটাকে ভালোবাসতে হবেনা। আজীবন আমিই ভালোবেসে যাবে তোমাকে..




Thursday, May 23, 2019

প্রেয়সী..




প্রেয়সী!
ভালোবাসার সাত রঙে রাঙাতে না পারলেও আমার সাদাকালো ভালোবাসায় সিক্ত করবো তোমায়। আমি তো তোমাকে আমার মতো করে ভালোবাসবো।ভালোবাসার নাকি সংজ্ঞা হয়না, তাতে আমার কী? তোমাকে ভালোবেসে না হয় সংজ্ঞার উদ্ভব ঘটাবো।


তোমাকে কোনো প্রেমিকার সাথে তুলনা করিনা। তুমি আমার কাছে দেবীর সমতূল্য। দেবীরা তো সৃষ্টি হয় পূজোর জন্য। আমি না হয় সহস্রবছর ভালোবাসার দেবীর পূজো করে যাবো। হয়তোবা আমার ভালোবাসার ধাঁচ দেখে জগতের সকল প্রেমিকরা ঈর্শান্বিত হবে..


দেবী, তোমাকে না হয় আজীবন একতরফা ভালোবেসে যাবো। আমি তো তোমার ভালোবাসার কাঙাল। কাঙালরা কী কখনো ভালোবাসায় লাভ-ক্ষতির হিসাব করে নাকি? করে নাতো! একদমই না।


এলোকেশী, বুকের বাঁপাশটা প্রতিমুহূর্তে ‘তুমি’ শূন্যতার কথা জানান দেয়। সেটা তুমি উপলব্ধি না করতে না পারলেও তোমার এলোমেলো চুল আমাকে ঠিকই বুঝে..


ভালোবাসো? ওহ স্যরি! আমাকে ভালোবাসতে হবেনা। আমি তো তোমার গতজন্মের প্রেমিক ছিলাম। এই জন্মে হয়তো বিধাতা মিলনের গল্প লিখতে দিবেনা। ভালোবাসার গান গাইতে গাইতে পরজন্মের অপেক্ষায় রইলাম...


Wednesday, May 22, 2019

সংঘর্ষহীন বানান..

প্রমিত বানানের নিয়ম মনে রাখতে হলে ব্যাকরণ জানতে হয় অথচ স্কুলে পড়ার সময় ব্যাকরণ পড়াকে অকারণ মনে হয়েছিল।  এখন হয়েছে বিপদ। কোনটা তৎসম,  কোনটা অতৎসম আর কোনটা দেশী বা বিদেশী শব্দ মনে থাকে না। আমি ছোটবেলা থেকে পাখী,  দাদী,  শাড়ী, বাড়ী,  নদী,  আরবী, জাপানী - ইত্যাদি লিখে অভ্যস্ত।  এখন বলা হচ্ছে অতৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি,  বিদেশি ( এখানে ঈ- কার নয়)  বা মিশ্র শব্দে ঈ- কার নয়, ই- কার দিতে হবে।  এখন তাই প্রমিত বানানে শহিদ, দাদি, রানি, পাখি, শাড়ি, জার্মানি, চিন - ইত্যাদি লিখতে হবে।  আবার নদী সংস্কৃত থেকে আগত তাই নদি নয়।  এ এক ঝকমারি বটে।  আমার কথা - প্রমিত বানানরীতি মানতে পারলে ভালো, এতে বৈষম্য,  অসামঞ্জস্য দূর হবে।  কিন্তু একই সঙ্গে কিছু বানানের ওপর এমন মোহাব্বত হয়ে গেছে যে বাদ দিতে মন চায় না,  সেই রকমই শহীদ,  রাণী,  চীন -  এই রকম কয়েকটি শব্দ। এই প্রসঙ্গে একটা ঘটনা বলি।  আমাদের এক আত্মীয় তার আপন মামার মেয়েকে বিয়ের পর এখনও শ্বশুরকে মামা ডাকে।  তাকে একদিন বললাম - কি রে, বিয়ের পর সবাই শ্বশুরকে আব্বা ডাকে,  তুই এখনও মামা বলে যাচ্ছিস -- ব্যাপার কী ?  সে বললো - ভাইজান,  যে মানুষটাকে জ্ঞানবুদ্ধি হওয়ার পর থেকে মামা ডেকেছি,  এতকাল বাদে তার মেয়েকে বিয়ে করেছি বলে পুরনো সম্পর্কটা ভুলে যাবো ?

আমারও অবস্থা তাই।  বাংলা একাডেমি নিয়ম করেছে ভালো কথা, যারা মানছে মানুক,  আমি না হয় একটু ব্যতিক্রমই থাকলাম।  আর আমার লেখা তো নিতান্তই ফেসবুকে, কোনো পাঠ্যবই,  দলিল- দস্তাবেজ বা নথিপত্রে নয়,  সুতরাং এই " ভুল " নিয়ে কারো দুশ্চিন্তারও কারণ নেই।





Tuesday, February 12, 2019

হয়তোবা আমি...

হয়তোবা আমি ক্লান্ত। জেলখাটা সেই আসামীর মত। যার স্ত্রী সন্তানকে বলতে পারে না তার বাবা কেনো জেলে। 
আমি হয়তোবা মুমূর্ষু। অসুস্থ সেই ডাক্তারের মত। যে পারে না নিজের অপারেশন নিজে করতে। 
নয়তো আমি একটা ধূসর দেয়াল যাতে তাকিয়ে থাকা যায় অনন্তকাল। এঁকে ফেলা যায় শত ছবি যার নেই কোনো মানে। 
একটা কুকুরের মত বিশ্বস্ত এই আমি। যাকে বশ করা যায় সামান্য বিস্কুটে।
নয়তো সামান্য পানি যার বসবাস মরুভূমিতে।
তবে আমি যাই হই না কেনো, জানি আমিই একমাত্র আমি এই পুরো পৃথিবীতে।